
আমি অবসর নিচ্ছি না। সম্ভবত এই বিশ্বকাপটা আমার খেলা হবে না। আমার কাছে মনে হয় যে, এটাই যথাযথ সিদ্ধান্ত। তরুণ যারা এখন জাতীয় দলে ওপেন করছে, ওদের সুযোগ পাওয়া উচিত। কারণ তারা শেষ ১৫-১৬ ম্যাচ ধরে খেলছে। ওদের প্রস্তুতিও আমার চেয়ে ভালো থাকবে। পাশাপাশি আমি এটাও মনে করি, তারা হয়তো দলকে আমার চেয়ে ভালো সার্ভিস দিতে পারবে।’ সম্ভবত এই বিশ্বকাপে আপনারা আমাকে দেখবেন না। দলের জন্য সবসময় শুভকামনা।’ নিজের ফেসবুক পেজে তামিম এভাবেই এক ভিডিওবার্তায় তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন গত কয়েকদিন আগে।
হ্যা আমরাও বলছি তামিমের এই সিদ্ধান্ত যুগোপযোগী। কেননা বাংলাদেশ ক্রিকেটে আমরা দীর্ঘদিন ভালো ওপেনিং, ভালো জুটি তৈরী করতে পারছি না। তামিম দেশসেরা ওপেনার এটা সত্য কিন্তু তামিমের বিকল্পতো প্রয়োজন। যেটা তৈরী হচ্ছে না দীর্ঘদিন, তার কারণ কোন তরুণ খেলোয়াড় দীর্ঘসময় ধরে খেলার সুযোগ পাচ্ছে না এই জায়গায়। যার সুবাদে অভিজ্ঞতার ঝুরিও বাড়ছে না কারো। বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেটে তরুণ মেধাবী কিছু খেলোয়াড়ের সন্ধান মিলেছে। এবার তাদের সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়োজন ছিল নির্বাচকদের। যেটা তামিম করে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে তামিম ভক্তদের দেখা গেছে উৎকন্ঠা। আবার ক্রীড়া অনুরাগীদেরও রয়েছে ভিন্নমত ।
তামিমের যখন ফর্ম থাকবে না তখন আরেকজন তরুণ খেলোয়াড়কে খেলানো উচিত । যেটা বাংলাদেশে তামিমের বিষয়ে কম হয়। ফর্ম থাকুক আর নাই থাকুক তামিমকে বাদ দেয়া হয় না যতক্ষন না তামিম নিজে ইনজুরিতে না পড়েন। বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটসম্যান চট্টগ্রামের সন্তান তামিমের যখন ভাগ্য ভালো হয় তখন ভালো খেলেন সেঞ্চুরি বা হাফ সেঞ্চুরির কোটা পার করেন। ক্রিকেটবোদ্ধাদের মতে ক্রিকেট ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেয়া উচিত নয়। ভাগ্যকে নিজের মত করে গড়ে নিতে হবে বিশ্বে প্রতিযোগীতায় টিকে থাকতে হলে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে উদিয়মান তরুণদের দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়া ও বিশ্বকাপ জয়ী নিউজিল্যান্ডের মত শক্তিশালী দলগুলোকে নাস্তানাবুদ করতে। এই ধারা অব্যাহত থাকুক, বাংলাদেশ ক্রিকেট এগিয়ে চলুক দুর্বার গতিতে এমনটাই প্রত্যাশা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমি আমজনতার। আমরাও চাই জনগণের অর্থে পরিচালিত বাংলাদেশের এই ক্রিকেট বিশ্বের ক্রীড়ামোদীদের আলোচিত বিষয় হোক।
Discussion about this post