
আমরা কেন কিয়ামতের আলামত সমুহ জানবো?
উওরঃ যেকোনো বিষয় জানলে বা গবেষনা করলে এর কিছু না কিছু ফলাফল পাওয়া যায়। আর কুরআন – হাদিসের পাতায় পাতায় কেয়ামতের আলামত বা নিদর্শনের বিবরণ উল্লেখ আছে।এগুলোর জ্ঞান সবাই জানলে জীবনে বহুবিধ কল্যান হবে। নিচে আমি কিছু তুলে ধরছিঃ
• ১.অদৃশ্য তথা গাইবের বিষয়ে ঈমান মজবুত হবে।যা ঈমানের ৬টি স্তম্ভের বিশেষ একটি।
দলীল:(বাক্বারা ৩) (সহিহ মুসলিম, হাদীস -২১)
কিয়ামতের আলামতসমুহ গাইবি বিষয়ের একটি। আর তাতে ঈমান আনয়ন ওয়াজিব। কিছু গাইবি বিষয়:যেমনঃ দাজ্জালের আগমন,ঈসা আঃ ‘র অবতরণ,ইমাম মাহদির আবির্ভাব ইত্যাদি।
• ২. ইবাদতের স্পৃহা এবং কিয়ামত দিনের প্রস্তুতির জন্য উৎসাহি হবে।
• ৩. গাফিলরা চেতনা ফিরে পাবে। তওবা করতে উৎসাহী হবে। (বুখারী,হাদিস ৩৩৪৬)
• ৪. এর মাধ্যমে কিছু মাসলা মাসায়েল জানা যায়।(মুসলিম ২৯৩৭ হাদিস অনুকলে)
• ৫. নবুয়তের সত্যতা প্রমান হয়।
• ৬. ভবিষ্যতে কি ঘটবে তা যদি আমরা এখনি জানতে পারি তাহলে মানসিকভাবে প্রসস্তত থাকবো। ফলে অযথা ট্যানশন করতে হবে না।
• ৭. মানুষ বলতেই ভবিষ্যৎ জিনিস জানার প্রতি আগ্রহী। আর শরিয়তই কেবল সিদ্বান্ত দিতে পারে। যেমন :ভবিষ্যতের কিছু বিষয় :দুখান বের হওয়া,দাব্বাতুল আরয এর প্রকাশ,আজব সৃষ্টি ইয়াজুজ মাজুজের আগমন।।
• সর্বোপরি , ইসলাম যে সত্য ধর্ম। কিয়ামতের আলামত সমুহ জানার মাধ্যমে তা সুস্পষ্ট হয়।
(বিঃদ্রঃকিয়ামতের আলামত নিয়ে গবেষনার কিছু মুলনিতী আছে, যা চমৎকারভাবে সৌদি আরবের কিং সাউদ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শায়েখ ড.আল্লামাহ আবদুর রহমান আল আরেফী তার নিহায়েতুল আলমে উল্লেখ করেছেন। এর অনুদিত বাংলা “মহাপ্রলয় “এবং “বিশ্ব যখন ধব্বংশ হবে “তেও বিদ্যমান। সবাইকে ঐ অংশটুকু পড়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
সাথে থাকুন জার্নাল টোয়েন্টিফোরের তৃতীয় পর্ব নিয়ে ফিরছি।
Discussion about this post